আমার পিতা সুধীর কুমার ঘোষ (১৯১০-১৯৭৫) ছিলেন অত্র এলাকার একজন কৃতী সন্তান । অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র হিসেবে পাশ্ববর্তী খলিলপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯২৮ সালে ক্যালকাটা ইউনিভার্সিটির অধীনে প্রথম বিভাগে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন । কর্ম জীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তিনি অত্র এলাকায় একজন অত্যন্ত ন্যায়পরায়ণ ও পরোপকারী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি আজীবন শিক্ষকতা করেছেন এবং হাসামপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি বিনামূল্যে গ্রামবাসীকে হোমিও প্যাথিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করতেন। এগুলো ছাড়াও অত্র এলাকার জনসাধারণের যে কোন সমস্যার সমাধানে তিনি সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিতেন । তাঁকে স্থানীয় ইউনিয়ন কাউন্সিলের চেয়ারম্যানসহ প্রশাসনের সবাই সম্মানের চোখে দেখতেন ।
সেই ধারাবাহিকতায় আমি এবং আমার ছোট ভাই ভাঃ সঞ্জীব কুমার ঘোষ আমারও এই এলাকার জনগণের চাহিদা অনুযায়ী একটা আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় স্থাপন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি এবং বাবার অবদান ও স্মৃতি রক্ষার্থে তাঁর নাম অনুসারে ‘সুধীর ঘোষ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়’ নামকরণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই যথাযথ ভাবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমতি পাওয়া গিয়েছে ।